মো. আনোয়ার হোসাইন জুয়েল, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় মাদকাসক্ত ২২ বছর বয়সী সন্তানের হাতে পিতা খুনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় মাদকাসক্ত ২২ বছর বয়সী সন্তানের হাতে পিতা খুনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
১
ফেব্রুয়ারি (রবিবার) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার তাড়াইল–সাচাইল
সদর ইউনিয়নের দড়িজাহাঙ্গীরপুর (মধ্যপাড়া) গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
নিহত রমজান আলী (৪৫), পিতা-মৃত জব্বার।
তাড়াইল
থানা সূত্রে জানা যায়, নিহত রমজান আলী দুই পরিবারের মধ্যে প্রথম পরিবারের
বড় ছেলে জুয়েল মিয়া (২২) শনিবার দিবাগত রাতে একই ঘরে একই রুমে ঘুমিয়েছিল।
ভোর রাতে মাদকাসক্ত জুয়েল মিয়া ধারালো দা দিয়ে তার পিতার মাথাসহ শরীরের
বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
তখন চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসা এলাকার লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে জুয়েল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে নেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা উদ্ধার করেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় রমজান আলীকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাড়াইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া নেশাগ্রস্ত। নেশার টাকার জন্য পিতা-পুত্রের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে সে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিহত রমজান আলীর ঘরে রয়েছে দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তিন ছেলে ও একটি মেয়ে। স্বজনরা জানান, মাদকাসক্ত জুয়েল মিয়া ছোটবেলা থেকেই তার নিজ মায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে বসবাস করত। তবে মাঝে মাঝে সে নিজ বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসত। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার দিন নেশার টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে কলহের একপর্যায়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
তখন চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসা এলাকার লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে জুয়েল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে নেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা উদ্ধার করেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় রমজান আলীকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাড়াইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া নেশাগ্রস্ত। নেশার টাকার জন্য পিতা-পুত্রের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে সে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিহত রমজান আলীর ঘরে রয়েছে দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তিন ছেলে ও একটি মেয়ে। স্বজনরা জানান, মাদকাসক্ত জুয়েল মিয়া ছোটবেলা থেকেই তার নিজ মায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে বসবাস করত। তবে মাঝে মাঝে সে নিজ বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসত। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার দিন নেশার টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে কলহের একপর্যায়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
এই ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করলেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।