info@desherkhabor24.com

+8801821554477

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাবিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

ঢাবিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত
Save to Wishlist
ঢাবিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

ঢাবি প্রতিনিধি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ৮ মে ২০২৬ শুক্রবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে আর. সি. মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন) ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এসময় চারুকলা অনুষদের ডিন, সংগীত বিভাগ ও নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারপার্সন-সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে তিনি বিশ্ব দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। বিশ্বকবির শিক্ষা দর্শন অনুধাবনের মাধ্যমে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি মানবিক, সৃজনশীল ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাদের শিখিয়েছেন, মানুষের পরিচয় ধর্ম, বর্ণ বা জাতিতে নয়, বরং মানুষের পরিচয় মানবতায়। বিশ্বকবির প্রকৃতি প্রেম ও সমাজ ভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
 
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রেই সফল ও সার্থকভাবে বিচরণ করেছেন। তাঁর রচনায় প্রকৃতি ও মানব প্রেম, শিক্ষা দর্শন, সমাজ ভাবনা, অহিংস চিন্তা, শান্তি ও সম্প্রীতি এবং মানবমুক্তির সর্বজনীন ভাবনা প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর জীবন-দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম মূল প্রবন্ধে বলেন, রবীন্দ্রনাথ বিশ্বব্যাপী হানাহানি, হিংসা, বিদ্বেষ, সামাজিক শোষণ, নির্যাতন ও নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ছিলেন। তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে মানুষকে ভালোবাসা, মমত্ববোধ, সামাজিকতা ও মানবিকতাবোধে উদ্বুদ্ধ করেছেন। মানবমুক্তির পথ দেখিয়েছেন। বিশ্বকবির আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও সম্প্রীতির সমাজ প্রতিষ্ঠার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।  
আলোচনা পর্ব শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ ও নৃত্যকলা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।


Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!