ঢাবি প্রতিনিধি:
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং
জাতি গঠনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের প্রতিটি
গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা,
গবেষণা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে
চলেছে।
উপাচার্য ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, নব্বইয়ের
গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা শহীদ ও
সংগ্রামীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সংকটের প্রতিটি
মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির প্রত্যাশা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন
করেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে আজ ১ জুলাই ২০২৬ বুধবার
ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে (টিএসসি) বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য
‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা
সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার শুরুতে দিবসটি
উপলক্ষ্যে প্রকাশিত ‘স্মরণিকা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এর আগে একটি
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
উপাচার্য উল্লেখ করেন,
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান
ধারাবাহিকভাবে উন্নত হচ্ছে। টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র্যাঙ্কিং
২০২৬, কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭ এবং কিউএস এশিয়া
র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এর একাডেমিক উৎকর্ষের
স্বীকৃতি বহন করে। প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে
ভবিষ্যতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে
স্থান করে নিতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ড. এ
বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং
শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন
কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ২০২৬-২০৪৬ মেয়াদের ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
একাডেমিক প্ল্যান’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক,
উদ্ভাবননির্ভর ও নৈতিক নেতৃত্বসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার লক্ষ্য
নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি গবেষণা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ খাতে পৃথক তহবিল গঠনে
প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
উপাচার্য
শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও বিশ্বমানের
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানান।
সভায় মূল প্রবন্ধ
উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ
এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা)
অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড.
মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান
দুদু ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। সঞ্চালন করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার
মুনসী শামস উদ্দীন আহম্মদ। অনুষ্ঠানটির আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিলো ঢাকা
ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, বাংলাদেশ
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান
খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান,
সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক
ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের
নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ইমেরিটাস
অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস
মূলত গণতন্ত্র, জ্ঞানচর্চা এবং সামাজিক অগ্রগতির ইতিহাস। প্রতিষ্ঠার পর
থেকে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং
সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি
নিহিত রয়েছে মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িকতা, সমতা এবং গণতান্ত্রিক
মূল্যবোধের চর্চায়।
তিনি আরও বলেন, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, নারী
শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
অবদান অনন্য। তবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা, জ্ঞানসৃষ্টি,
মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরও শক্তিশালী করতে হবে।
দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ ও জ্ঞানচর্চার সমন্বয়ের মাধ্যমে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনেও জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা পালন করবে
বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর
(শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অধিকার
প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক অগ্রগতির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করে
বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ লক্ষ্যে গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আধুনিক অবকাঠামো
উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা-গবেষণা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য
উন্নত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নারী শিক্ষায়
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণকে ইতিবাচক অর্জন হিসেবে উল্লেখ
করেন। পাশাপাশি মেধাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম
জোরদার এবং দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন,
গণতন্ত্র ও উচ্চশিক্ষা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত; গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা
শক্তিশালী না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও কাক্সিক্ষতভাবে বিকশিত হতে পারে না।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
গণতন্ত্র রক্ষা, জ্ঞানচর্চা এবং উচ্চশিক্ষার বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন
করবে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক
উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট
সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হলেও
নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে
পৌঁছাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও পরিকল্পিত ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি
বলেন, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ ও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব হবে।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেন,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের গণতান্ত্রিক চেতনা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং
নেতৃত্ব তৈরির অন্যতম কেন্দ্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও
অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার
আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যালামনাইদের সম্মিলিত সহযোগিতায় ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।
ডাকসু
ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই সবসময় সমাজে
ন্যায় বিচার, গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন
করেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ
হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
এর আগে, সকাল
সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, হোস্টেল ও প্রশাসনিক ভবন থেকে শিক্ষক,
শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন
চত্বরে সমবেত হন। সেখান থেকে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি
এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা,
বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটা হয়। এসময় সংগীত
বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও উদ্দীপনামূলক
দেশাত্মবোধক গান ও থিম সং পরিবেশিত হয়। এছাড়া, বিদেশি শিক্ষার্থীদের
অংশগ্রহণে অন্য একটি সংগীত পরিবেশিত হয়।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
উপলক্ষ্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে বিকাল ৩টায় অধ্যাপক মোজাফফর
আহমেদ চৌধুরী মিলানায়তনে এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক বিজ্ঞান
অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায়
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন। বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ঢাকা
ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কনসার্টের আয়োজন করা হয়।
বিকাল ৪টায় সাইক্লিং ক্লাবের উদ্যোগে বাই সাইকেল র্যালি এবং স্টান্ট শো
আয়োজন করা হয়।
আগামীকাল সকাল ১০টায় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের
আয়োজনে আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে ‘১০৫ বছরে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য
বিভাগ: অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগের চেয়ারম্যান
ড. মো. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি
জাহানাবাদি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা
অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার ও ইরান দূতাবাসের ঢাকাস্থ
সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মাহদি মৌলায়ী আরানি বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থাকবেন।