info@desherkhabor24.com

+8801821554477

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাবি অর্থনীতি বিভাগ এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের নবীন বরণ

ঢাবি অর্থনীতি বিভাগ এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের নবীন বরণ
ঢাবি অর্থনীতি বিভাগ এবং ভূতত্ত্ব  বিভাগের নবীন বরণ

ঢাবি প্রতিনিধি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের নবীনবরণ এবং ভূতত্ত্ব  বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা  আজ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।

অর্থনীতি বিভাগের ১০৫তম ব্যাচের নবীনবরণ অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী  মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. ফিরদৌসি নাহারের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং সামাজিক বিজ্ঞান  অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। নবীনদের পক্ষে খন্দকার তাহসিন উর রহমান ও লুবাইনা আনজুম অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সহকারী অধ্যাপক ড. রুবাইয়া মোরশেদ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। এসময় বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
  ভূতত্ত্ব  বিভাগের  ৫৭ ও ৫৮ তম  ব্যাচের নবীনবরণ এবং ৫১তম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় চেয়ারম্যান  অধ্যাপক ড. মো. বদরুদ্দোজা মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক  মহাম্মদ সফি উল্যাহ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।  বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বদরুল ইমাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূতত্ত্ব অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। নবীন বরণ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এস এম মাঈনুল কবীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ৫৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহসিনাহ রহমান নুশফা ও মো. অভিক রহমান ইখতিয়ার অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সৎ ও আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,  ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি তাদের ভালো মানুষ হতে হবে। সামাজিক বৈষম্য নিরসন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন ও  দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।  পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিতর্ক, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য তিনি  শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশে শিক্ষার্থীদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে। অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
ভূতত্ত্ব বিভাগের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বর্ষে সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্ত ৬জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা হলেন- মো. এনায়েতুর রহিম, শামস মাহাদী আহমেদ জিসান, আল সামিয়া রহমান ইমা, কুন্তল সাহা, তাহসিনাহ রহমান নুশফা ও জি. এম. মহিউদ্দিন জোবায়ের। এছাড়া বিএস সম্মান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্ত ৪ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীরা হলেন- জহুর আহমেদ, উম্মে হাবিবা মারজান, উৎসব বসাক ও জি. এম. মহিউদ্দিন জোবায়ের। প্রথম বর্ষে সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্ত শামস মাহাদী আহমেদ জিসানকে ‘সাবরিনা শরমিন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। আলোচনা পর্ব শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।