info@desherkhabor24.com

+8801821554477

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ভারত থেকে এলো ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি চাল, বাজারে স্বস্তির ইঙ্গিত

ভারত থেকে এলো ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি চাল, বাজারে স্বস্তির ইঙ্গিত
ভারত থেকে এলো ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি চাল, বাজারে স্বস্তির ইঙ্গিত

শাহারুল ইসলাম ফারদিন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং সামনে জাতীয় নির্বাচন, এমন বাস্তবতায় তিন মাস পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আবারও চাল আমদানি শুরু হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ভারত থেকে চারটি চালানে মোট ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে।


বন্দর সূত্র জানায়, ভারতীয় ১৪টি ট্রাকে করে আনা চাল দুপুরে বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে নামানো হয়। চালগুলো আমদানি করেছে হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। দীর্ঘ বিরতির পর এই চালান আসায় আমদানিকারক ও পাইকারি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, সীমান্ত বাণিজ্যে নানা অনিশ্চয়তা, কাগজপত্র জটিলতা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক মাস ধরে চাল আমদানি কার্যত স্থবির ছিল। এর মধ্যে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় চাল আমদানির অনুমতি দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা আবার সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, সর্বশেষ গত বছরের (২০২৫) নভেম্বর মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় এই বন্দর দিয়ে চাল প্রবেশ বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে সরবরাহ চাপের মুখে পড়ে। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমোদন দেয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩ মার্চের মধ্যে এসব চাল দেশে এনে বাজারজাত করার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে এই সময়সূচিকে বাজার ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত গড় খরচ পড়েছে প্রায় ৫০ টাকা। পরিবহন, খালাস ও বাজারজাত ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সময়ে এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়বে।


বেনাপোল বন্দরের বন্দর পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, ভারত থেকে মঙ্গলবার ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি মোটা চাল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে সরবরাহ শৃঙ্খলে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।