info@desherkhabor24.com

+8801821554477

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাবি উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের নবীণ বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

ঢাবি উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের নবীণ বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা
ঢাবি উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের নবীণ বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

ঢাবি প্রতিনিধি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং এমএস শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার বিভাগীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আসফাক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন । নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী স্বাগত বক্তব্য দেন। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ছাত্র উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম। ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাসফিয়া বিনতে হেলাল নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এবং রাহিলা ইরাম বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মানপত্র পাঠ করেন। নবীন   শিক্ষার্থীদের পক্ষে নাফিসা আক্তার ঐশী এবং  বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে সৈয়দ নাসিফ ইলিয়াস ফারুকী অনুভূতি ব্যক্ত করেন। ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী  মারুফা আক্তার কলি এবং মাছুমা মমতাজ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন,  প্রকৃতিতে বসন্তের আগমনের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়েছে।  অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের এই নতুন সুবাতাস শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় সুযোগ বয়ে এনেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রথিতযশা শিক্ষকদের স্মরণ করে তিনি বলেন, এই বিভাগের শিক্ষকদের গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মানিত করেছে।
কেবল পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, টিএসসির বিভিন্ন ক্লাব, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং ‘বাঁধন’-এর মতো সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন,  একজন শিক্ষার্থী যেন শারীরিকভাবে দক্ষ, মানসিকভাবে সক্ষম এবং সামাজিকভাবে সচেতন হয়ে গড়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্বাধীনতাকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তরুণদের ঐতিহ্যই হলো অন্যায়ের প্রতিবাদ করা । তবে সেই প্রতিবাদের ভাষা ও পদ্ধতি যেন যথাযথ, মার্জিত ও গঠনমূলক হয় সেদিকে শিক্ষার্থীদের খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও ডেটা সায়েন্সের  গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আগামী দিনের জব মার্কেট বা কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সাফল্য ও আচরণের মাধ্যমেই সমাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করবে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও সুনাম রক্ষায় সচেষ্ট থাকার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বিভাগের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখায় এমএস শ্রেণির শিক্ষার্থী এম এম তানজিম আলম, মুহাম্মদ ময়দুল ও সৈয়দ নাছিব ইলিহাস ফারুকীকে অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী  ১৪জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। শিক্ষার্থীরা হলেন- সুহানা মৌরিন, মারজানা ইয়াসমিন লিজা, সায়মা আক্তার, কানিজ ফাতেমা বুশরা, কামরুন্নাহার কনা, রাহিলা ইরাম, সুমাইয়া ইসলাম, নুসরাত জাহান লিজা, রুবাইয়া ইয়াসমিন ইরিন, ইমন বাড়ৈ, মার্জিয়া খাতুন, মোছা. শাহানাজ নুসরাত ও রুপা রানী রায়।
প্রথম ও দ্বিতীয়  বর্ষের ৬ জন শিক্ষার্থীকে অধ্যাপক ড. শেখ শামীমুল আলম স্মৃতি বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তি প্রাপ্ত প্রথম বর্ষের  শিক্ষার্থীরা হলো নওশীন ফারুকী আনিকা, নাফিজা আক্তার ঐশী ও আহমেদ ইমতিয়াজ। বৃত্তি প্রাপ্ত দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলো  মো. সিয়াম হোসেন রনি, মো. ফরহাদ বাদশা ও মোছা. সাদিয়া ইসলাম।