উদ্বোধনের আগেই ৪ কোটি টাকার রাস্তার কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি

মোঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব,দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার সবচেয়ে গুরত্বপুর্ণ সড়ক রানীরবন্দর চিরিরবন্দর প্রায় ১৫ কিমি রাস্তটি উদ্বোধনের আগেই কয়েটি স্থানে ফেটে রাস্তার কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এ ধরনের নিম্নমানের কাজে দেখে এলাকাবাসি ক্ষেভে ফেটে পড়েছে।

সরজমিনে রানীরবন্দর চিরিরবন্দর রাস্তাটি গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের চার কোটি টাকা ব্যায়ে রাস্তার নির্মান কাজ চলছে। রাস্তাটির কাজ শেষ না হতেই বেশ কয়েটি স্থানে ফেটে রাস্তার কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। হাত দিয়েই রাস্তার কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। স্থানিয়দের অভিযোগ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের অবহেলায় রাস্তটি নিম্নমানের করে তৈরি করা হয়েছে । নিম্মমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। রস্তাটির য়খন কার্পেটিং করা হয় তখন ভালোভাবে রাস্তাটি পরিস্কার না করেই কার্পেটিং করা হয়। কারেপটিং করার পরেরদিন থেকে রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে ফেঠে যাওয়া শুরু হয়েছে।রাস্তাটি এমন ভাবে তৈরি করেছে যে কোথাও নিচু কোথাও উচু কোথাও একবারে দেবে গেছে।রাস্তাটি কোথাও ভালো ভাবে ফিনিসিং করা হয়নি।এদিকে রাস্তার কাজ শেষ না হওয়ায় দির্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পড়েছে এই রাস্তায় চলাচল কারি লাখো মানুষ।

ঘুঘুরাতলী বাজারের ব্যবসায়ী মাসুম আলী বলেন, এই রাস্তাটি টাকা দিয়ে করছে না এমনি এমনি করছে রাস্তা করলো রাস্তা উদ্বোধন না করতেই রাস্তা ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। জনগনের ভোগান্তি করার জন্য এমন নিম্নমানের কাজ করছে কতৃপক্ষ। আমরা চাই রাস্তাটি দ্রুত ভালো ভাবে মেরামত করে ঠিক করা হোক।

উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের মোকলেছুর রহমান বলেন, রাস্তার সাথে আমার বাসা হওয়ায় সবসময় রাস্তার কাজ গুলো দেখতাম এত নিম্নমানের কাজ করছে যে বলার ভাষা নেই। রাস্তার নিম্নমানের কাজ হচ্ছে বলে আমার স্থানীয়রা বিষয়টি ইন্জিনিয়ার কে অবগত করেছি কিন্তু তিনি বিষয়টা অজানা কারনে এরিয়ে গেছেন।

আটো চালক রহিম উদ্দিন বলেন, রাস্তার কাজ খুব খারাপ হওয়ার কারনে রাস্তাটা একমাসের মধ্যে নষ্ট হয়ে গেলো। নতুন রাস্তা ফেটে গেছে আবার মাঝখানের রাস্তারকাজ শেষ না হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছি আমরা অটো চালকরা গাড়ির বল বেয়ারিং টায়ার টিকতেছে না।

ভ্যান চালক মতিয়ার রহমান বলেন, রাস্তাটার কাজ এম নিম্নমানের হয়েছে রাস্তা তৈরি করারা পরেদেনি থেকে ফেটে গেছে শুধু দুই এক যায়গায় নয় বেশ কয়েকটি স্থানে ফেটে গেছে কোথাও আবার দেবে গেছে। রাস্তাটি কোথাও ভালো ভাবে ফিনিসিং করা হয় ন রাস্তাটিতে যখন পিচ ঢালাই দেয় তখন রাস্তার ময়লা গুলোর উপরে ঢালাই দিয়েছে ফলাফল পরেরদিন থেকেই ফাটল শুরু হয়েছে।এখন জনগনের ভোগান্তি ছাড়া আর কি।

এ বিষয়ে চিরিবন্দরর উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হাসান বলেন, রাস্তাটি এখন হ্যান্ডওভার হয়নি কিছু যায়গায় ফেটে ও দেবে গেছে এটা প্রত্রিকায় নিউজ হওয়ার মত কিছুই না। এবিষয়ে আমি কোন বক্তব্য দিতে পারব না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *