ভোলায় করোনার টিকা কেন্দ্রে বুস্টার ডোজ নিতে আসা মানুষের ভীড় কম

সাব্বির আলম বাবু, ভোলাঃ
ভোলার সাত উপজেলার ২২১টি কেন্দ্রে একযোগে করোনার বুস্টার ডোজ টিকাদান কর্মসূচী শুরু হয়েছে। তবে কেন্দ্র গুলোতে ভীড় দেখা যায়নি। বেশীরভাগ টিকা কেন্দ্র ছিলো অনেকটা ফাঁকা। প্রচার-প্রচারনা না থাকায় কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা মানুষের উপস্তিতি কম বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ শনিবার (৪ জুন) সকাল ৯টা থেকে টিকাদান কর্মসূচী শুরু এবং তা চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। টিকা কেন্দ্রে যতক্ষণ পর্যন্ত ততক্ষণ পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচী চলে। তবে মাঠ পর্যায়ের অনেবেই জানেনন না টিকার বিষয়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, মানুষ করোনার বিষয়ে সচেতন হলেও প্রচারনা না থাকায় বুস্টার ডোস নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না অনেকে। সুত্র জানায়, এবার জেলায় ৯৫ হাজার ৪০০ জনকে করোনা টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে স্বাস্থ্যবিভাগ। যারমধ্যে রয়েছে দুর্গম এলাকার ৩৩টি কেন্দ্র রয়েছে। দক্ষিণ দিঘলদী এলাকার বাসিন্দা মেহেদি হাসান বলেন, করোনার বুস্টার ডোস দেয়া হচ্ছে সেই বিষয়টি আমরা জানিনা, কেউ আমাদের জানায়নি। ভোলা সদরের তুলাতলি এলাকার জেলে বশির মাঝি বলেন, করোনা টিকার বিষয়টি আমাদের কেউ জানায়নি, আমাদের জেলেরাও তা জানেনা। তাই অনেকেই টিকা নিতে যায়নি। যদি প্রচারনা চালাতো তাহলে আমরা জানতে পারতাম।

টিকা নিতে আসা লালমোহনের মোঃ সোহাগ বলেন, আমি তৃতীয় ডোসের টিকা নিয়েছি, অনেক ভালো লাগছে। ১৮ বছরের উর্ধ্বে এবং যাদের ২য় ডোস নেয়ার পর চার মাস পেরিয়ে গেছে এমন ব্যক্তিদের করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। সারাদেশের ন্যায় ভোলাতেও আগামী ১০জুন পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে।

এ ব্যাপারে ভোলার সিভিল সার্জন ডাঃ কেএম শফিকুজ্জামান বলেন, আমরা প্রচার-প্রচারনা চালিয়েছি, এমনকি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মানুষকে টিকার বিষয়টি জানানো হয়েছে। করোনা টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত জেলায় ১৪ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ, সাড়ে ১০ লাখ মানুষকে ২য় ডোজ এবং প্রায় দেড় লাখ মানুষকে বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.