ঘোড়াঘাটে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিতে অবদান রাখছে, এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার

বেল্লাল হোসেন(ঘোড়াঘাট) দিনাজপুর:
দক্ষ ফুটবলার তৈরির প্রত্যয়ে ২০২১ সালের ১লা মার্চ যাত্রা শুরু করে ঘোড়াঘাটে এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার। আর মাত্র এক বছরের এ অল্প সময়ে উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে এ ট্রেনিং সেন্টারটি।

১৩ থেকে ২১ বছরের তরুনদের  দক্ষ ফুটবলার তৈরির লক্ষ্য বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল (অনুর্ধ্ব ১৫) দলের সহকারি কোচ মেহেদী হাসান সিদ্দিকি (সেতু) ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগে ঘোড়াঘাটে গঠন করেন এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার। প্রাথমিক অবস্থায় ৯ জন খেলার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও এখন খেলোয়াড় সংখ্যা ২০ জন। আধুনিক প্রশিক্ষণ উপকরন, সর্বক্ষণিক তদারকি ও নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারের খেলোয়াড়গণ ইতিমধ্যে উপজেলা ও জেলা ছাপিয়ে এখন বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে টুনামেন্টগুলিতে  নিজেদের দক্ষতার পরিচয় রাখছে। 

আর নামী দামি ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারকে পিছনে ফেলে সাম্প্রতিতে ঢাকা ও সিলেট বিকেএসপিতে দুইজন খেলোয়ার হিমেল ও রেদওয়ানের চান্স পাওয়া ও বসুন্ধরা কিংস একাডেমি কাপ-২০২১ এ এসএফসি ক্লাবের হয়ে খেলায় অংশ গ্রহন আলোচনা কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার

সরেজমিনে ঘোড়াঘাট ফুটবল খেলার মাঠে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে সকাল ৯ পর্যন্ত স্থানীয় কোচের তত্বাবধানে  ও মেহেদী  হাসানের পরামর্শে শারীরিক কসরত, অনুশীলন ও দলে বিভক্ত হয়ে ম্যাচের মধ্য দিয়ে ঘাম ঝড়িয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে খেলোয়াড়গন।

এ বিষয়ে তরুন খেলোয়াড় নাহিদ হাসান বলেন, আমরা বিনা পয়সায় আধুনিক কৌশলে মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়েও জাতীয় দলের কোচের তত্বাবধানে যে ফুটবল খেলার যে দক্ষতা অর্জন করছি তা অবিশ্বাস্য। বিভাগীয় ক্লাবগুলোতে আমাদের বিচরন তারই প্রমাণ।

টিম ম্যানেজার রাজু মিয়া বলেন, মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুনের মুক্ত রাখতে ও আশে- পাশে বসবাসরত তরুনদের ফুটবল  খেলার প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। যার প্রতিফলন ঘটছে আন্তঃজেলা ও বিভাগের ফুটবল টুনামেন্টগুলিতে। যেখানে  আমাদের খেলোয়াড়রা কৃতিত্বের পরিচয় রাখছে। আগামীতে আমরা আরও দক্ষ  খেলোয়াড় তৈরির প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.