রাজবাড়ীতে বারি মসুর-৮ এর উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

কাজী তানভীর মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:
রাজবাড়ীতে বারি মসুর-৮ এর উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৬ মার্চ) বিকেল ৫ টার দিকে জেলা সদরের শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের রূপপূর গ্রামে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

সরেজমিন গবেষণা বিভাগ (সগবি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), ফরিদপুর এর সহযোগিতায় এবং আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র, বারি, মাদারীপুর এর আয়োজনে “আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র, মাদারীপুরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর বরিশাল, ফরিদপুর অঞ্চলে ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি” প্রকল্পের অর্থায়নে বারি মসুর-৮ এর উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র, মাদারীপুর এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ছালেহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, ঈশ্বরদী, পাবনার পরিচালক ড. মো. মহি উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডাল গবেষণা উপ-কেন্দ্র, গাজীপুর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও উপ প্রকল্প পরিচালক ড. এ কে এম মাহাবুবুল আলম, রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এস, এম, সহীদ নূর আকবর।

এ সময় অনান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, ফরিদপুর অঞ্চলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সেলিম আহম্মেদ,আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র, মাদারীপুর এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নন্দ দুলাল কুন্ড, মো.মামুনুর রশিদ, শাহিন মাহমুদ ও মসলা গবেষণা উপকেন্দ্রের মো. মুশফিকুর রহমান,মসলা গবেষণা উপকেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলাউদ্দিন,কৃষক গফুর কাজী,নুরু মল্লিক।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সগবি ফরিদপুরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, এ.এফ.এম. রুহুল কুদ্দুস ।

বক্তরা বলেন, কৃষকেরা সাধারণত স্থানীয় জাতের মসুরের আবাদ করে থাকে যার ফলন কম এবং রোগ ও পোকামাকড়ের পরিমাণ বেশী। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি মসুর-৮ জাতটির ফলন শতকে প্রায় ৮ কেজি। যা আবাদে দেশে ডালের ঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব। তাই, কৃষকেরা প্রচলিত জাতের পরিবর্তে বারি উদ্ভাবিত বারি মসুর-৮ চাষ করলে লাভবান হবেন।

মাঠ দিবসে ৮০ জন কৃষক কিষানী অংশগ্রহন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.