ভোলায় সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মানোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

সাব্বির আলম বাবু, ভোলাঃ
ভোলায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে, “মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান” শীর্ষক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোলা পৌরসভার উদ্যোগে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহান “ভোলা পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনিরের” সভাপতিত্বে উদ্ভাবনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমিন টুলু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ আব্বাস উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি দোস্ত মাহামুদ, ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

ভোলা জেলা প্রশাসক তৌফিক ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার জন্ম না হলে এই দেশ কখনোই স্বাধীন হত না এবং আপনারা সকলেই জানেন দেশটা স্বাধীন হয়েছে বলেই আমরা এত দূরে গিয়েছি। একটি কথা না বললেই নয় আপনারা জানেন সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ যে মহামারী ছড়িয়ে পড়লো এর প্রেক্ষিতে সারাবিশ্বেই আক্রান্ত রয়েছে। আমাদের বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৭০ ভাগ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে এবং তাও কিন্তু দ্বিতীয় ডোজ টিকার আওতায়। আপনারা লক্ষ্য করে দেখবেন বিশ্বের দশটি দেশ এটিকার কার্যক্রমে সব থেকে এগিয়ে রয়েছে। ভোলা জেলা প্রশাসক তৌফিক ই-ইলাহী চৌধুরী আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কথাটি বলেছিলেন জীবন এবং জীবিকার প্রতি তার এই দর্শনের ফলেই আমাদের দেশের বাঙালি একজনও না খেয়ে থাকেননি এবং আমাদের অর্থনীতি অনেক এগিয়ে চলেছে। আপনারা সকলেই এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন “ওয়াল হাঙ্গার ইনডেক্স” লিখে আপনারা গুগলে সার্চ দেন সেখানে আপনারা দেখতে পাবেন বাংলাদেশ অবাক বিশ্বে এই উপমহাদেশের ভারত, পাকিস্তান অনন্য সকল দেশের থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। ভারতের থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৩০ ধাপ ওপরে এগিয়ে রয়েছে ক্ষুধার্ত চোখে অর্থাৎ কিনা এদেশের থেকে ভারতের লোক বেশি ক্ষুধার্ত, পাকিস্তানের লোকও বেশি ক্ষুধার্ত। এসকলই সম্ভব হয়েছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তার যেই, কর্মদক্ষতা, অনুপ্রেরণা তার যে দিকনির্দেশনা তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যারা মাঠে কাজ করছি এবং আপনারা যারা আমাদের জনগণ আপনাদের সাথে নিয়ে আমরা কিন্তু এই অর্জন টুকু করতে সক্ষম হয়েছি। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় তাদের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন।

আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতান ঢাকার শিল্পীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.