কিশোরগঞ্জে সেই সড়ক পুনরায় সংস্কারের পর আবার ফাটল

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নতুন সড়ক কার্পেটিং কাজ শেষ হতে না হতেই ফাটল ধরায় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর পুনরায় সংস্কার করার ১০ দিনের মাথায় আবারও উঠে পড়েছে কার্পেটিং। বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জ থেকে ভিন্নজগত সড়কের। এর আগে এই সড়ক সংস্কারের সাত দিন পরই বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিংয়ে ফাটল ধরা পড়ে।

সড়কে কাজ করার পর সপ্তাহ না যেতেই কার্পেটিংয়ে ফাটল ধরায় পরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঠিকাদার পুনরায় সড়কটি মেরামত করে দেয়। এর ১০ দিন না যেতেই আবারও কার্পেটিং ফাটল ধরা শুরু হয়। নিম্নমানের উপকরণের ব্যবহার ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে এমনটি হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

সরেজমিন জানা যায়, চলতি অর্থবছরে ভিন্নজগত সড়কের রাজিব ক্যানেলের ব্রিজ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের টেন্ডার হয়। ৯৯ লাখ ৩ হাজার টাকা চুক্তিমূলে নীলফামারীর তাসিন কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়।

তদারকি কর্মকতার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেনতেনভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। ফলে মুশা কমিউনিটি ক্লিনিক মোড় সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে সড়কের কার্পেটিং ফাটল ধরে উঠে যায়। কয়েক সপ্তাহ পর ঠিকাদার ওই মোড়ের দুই পাশে উঁচু স্পিটবেকার দিয়ে সড়কটি পুনরায় মেরামত করে দিলে আবারও পূর্বের অবস্থার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, কাজ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর সড়কের কার্পেটিং উঠে পড়েছিল। পুনরায় যেনতেন করে সংস্কার করে দেওয়ায় এখন আগের চেয়ে বেশি ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদার ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণেই এমনটি হয়েছে।

ওই সড়ক সংস্কারকাজের তদারকি কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী জগোবন্ধু রায় সংস্কার কাজে গাফিলতির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ওই স্থানে সড়কটি একাধিকবার মেরামতের পরও কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটিতে কারিগরি বিদ্যা শেষ, এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার মোজাফ্ফার হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অফিসের কাজে আছি,পরে কথা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.