আগৈলঝাড়ার গৈলা বাজারের কৃষিপণ্য পাইকারি বাজার  টল ঘরের বেহাল অবস্থা

মনজুর লিটন, বরিশাল জেলা প্রতিনিধি:
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার  ঐতিহ্যবাহী গৈলা বাজারে সরকারি অর্থায়নে  কৃষি বিপণন মার্কেট এর আওতায় কৃষি টল ঘর ও দোকান ঘর তৈরি করা হয়। যাহাতে সরকারের কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।এর আওতায় কয়েকটি টল ঘর তৈরি করা হয়। এরইমধ্যে দুইটি বর্তমানে অকেজো পড়ে আছে

সেখানে কারো ছত্রছায়ায় বিভিন্ন রকমের মালামাল ভর্তি করে রাখে। বর্তমানে টল ঘর দুটি রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সরেজমিনে দেখা যায় পাশের মিষ্টির দোকানের যাবতীয় লাকড়ি সেখানে রেখে ঘরের বিভিন্ন প্রকার ক্ষতি সাধন করা হয়। ব্যাপারটি কারো মাথাব্যাথা নেই। বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তারা জানান টল ঘর কৃষি পণ্যের পাইকারি বাজার নাম থাকলেও আদৌ সেটি হচ্ছে না । সেখানে শুধু ব্যক্তি কেন্দ্রিক মালামাল রাখা হয়। যাহা যাহার টোল ঘরের  জন্য খুবই ক্ষতিকর। পাশে কৃষিপণ্য খুচরা বাজার থাকলেও মানুষ বাহিরে বসে ক্রয় বিক্রয় করে। রোদ ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে ক্রেতা ও বিক্রেতা সবজি ক্রয় বিক্রয় করে। অথচ পাশেই সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে টল ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে।

আবার দেখা যায় পানের বাজার বসে একই ঘরে তরকারি দোকান ও পান এর পাইকারি বিক্রয় খুবই সমস্যায় পড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। 

ব্যবসায়ীরা বলেন পাশে পড়ে থাকা টল ঘরটি ব্যবসায় উপযোগী করে দেওয়া হলে মানুষের উপকার হত।

অযত্নে টল ঘরটি ভেঙে ভেঙে পরছে। মেরামত হচ্ছে না। সেটি একদম ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অথচ এগুলি করতে সরকারের কোটি কোটি টাকা লেগেছে। খালি টল ঘরটি কথা ছিল মহিলাদের বাজার হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা মহিলারাই থাকবে। কিন্তু কোনো আশার মুখ দেখেনি।

 ওই টোল ঘরটি ফাঁকা থাকার কারণে মানুষের রিকশা-ভ্যান রাখে তাতে আরো ঘরটির ক্ষতি সাধন করে। মানুষের মুখে শোনা যায় রাতে নাকি কিছু যুবকেরা ওখানে আড্ডা দেয়। কারো কারো ধারণা ওখানে নাকি মাদক সেবনের আস্তানা হিসাবে ব্যবহার করা হয়। বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি টোল ঘর দুটি মেরামত পূর্বক ব্যবসায়ীদের কাজে অর্থাৎ টলঘর ২ টি চালু করলে অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। অনেকে ওখানে ব্যবসা করতে পারবে।

গৈলা বাজারের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও ক্রেতাসাধারণ টলঘর দুটি অবমুক্ত তথা মেরামত পূর্বক চালু করার জন্য সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *