গাজীপুরে জনবল সংকট সচেতনতার অভাবসহ একাধিক ঝুঁকি প্রকাশ

টি.আই সানি, গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুরে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনেশন কর্মসুচীর আওতায় বেশ কয়েকটি ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল সংকট, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র ও হাসপাতাল, পোশাক শিল্পের বিশাল জনগোষ্ঠী, ডাটা ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার অভাবসহ বেশ কয়েকটি ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য। কেয়ার বাংলাদেশের এক পর্যবেক্ষণে এচিত্র উঠে এসেছে।

রোববার (১২ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ব্র্যাক সিডিএম মিলনায়তনে কেয়ার বাংলাদেশের দুটি প্রকল্প উদ্বোধনকালে বক্তারা ঝুঁকিগুলো তুলে ধরেন। “স্ট্রেংদেনিং হেলথ সোস্যাল গভর্ণেন্স স্ট্রাকচার ফর প্রিভেমনশন এন্ড রিকভারি কোভিড-১৯ ক্রাইসিস অব আরবান স্লাম এরিয়া” নামে প্রকল্প উদ্বোধন করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আমিনুল ইসলাম।

এসব প্রকল্পে প্রান্তি জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা, প্রতি ওয়ার্ডে ভলান্টিয়ার তৈরী, তৃণমূলের প্রতিটি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য উন্নয়ন কমিটি করা, ভ্যাকসিনেশনের জন্য সচেতন করা, অনলাইনে নিবন্ধন করে দেওয়াসহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করবে।

প্রধান অতিথি গাজীপুর সিটি কর্র্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরক্তি সচিব) আমিনুর ইসলাম বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় কেয়ার বাংলাদেশ যেভাবে জরুরী সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এসেছে তাতে প্যানডামিক মোকাবেলায় সিটি কর্পোরশেনের প্রয়োজনীয় ঘাটতি পূরণ হয়। যা, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনে বসবাসরত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও পরিধির উন্নয়ন ঘটবে।

গাজীপুর জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. খায়রুজ্জামান বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত ২০ লাখ ৯৩ হাজার ব্যাক্তিকে কোভিড টীকার আওতায় আনা হয়েছে। সীমিত জনবল দিয়ে অন্যান্য এলাকার মতো গাজীপুরের জনগোষ্ঠীকেও পূর্ণরূপে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার কার্যক্রম চালু রয়েছে। কেয়ার বাংলাদেশের মতো অন্যান্য কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এতে সহায়তা করছে।

অনুষ্ঠানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সচিব মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কেয়ার বাংলাদেশের আরবান হেলথের টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর মনীষা মাফরুহার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার, কেয়ার বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্মসুচীর পরিচালক ডা. ইখতিয়ার উদ্দিন খন্দকার, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রহমত উল্লাহ, কেয়ার বাংলাদেশের সিনিয়র টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলামসহ, প্রমূখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *