বাবা পেলেন নৌকার মনোনয়ন, বোমা ফাটিয়ে ছেলের উল্লাস

কাজী তানভীর মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার একাধিক স্থানে পাংশা মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ৬ জন কে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে দুই জনের কাছে বিস্ফোরক দ্রব্য শক্তিশালী বোমা পাওয়া গেছে। শনিবার দিবাগত রাতে থানা এলাকার হাবাসপুর ইউনিয়ন ও মৌরাট ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক কৃতরা হলেন, মৌরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ৫ম ধাপের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হাবিবুর প্রামাণিক এর ছেলে শামিম প্রামানিক(৩৬) ও একই এলাকার মোঃ ইসলাম মন্ডলের ছেলে মোঃ জালাল মন্ডল (৩০)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের কাছ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ৩টি বোমা সহ গ্রেফতার করা হয়।

অন্যরা হলো, উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর ঝিকরি দোপপাড়া এলাকার মোসলেম মল্লিকের ছেলে সিরাজ মল্লিক(৪৫), মৃত রব্বেল শাহ ছেলে সুরুজ শাহ(৪৫) ও সামছুল মুন্সির ছেলে মোঃ জালাল মন্ডল(৩০)। এরা প্রত্যেকের বিরুদ্ধে এলাকায় বোমা বিস্ফরণ করে জন মনে আতংক সৃষ্টি করার অভিযোগ রয়েছে।

অন্য আর এক আসামী সাকিব খান (১৭) সে ভাতশালা এলাকার লতিফ খাঁন এর ছেলে। সে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে অন্য এক মোটরসাইকেল আরোহী কে আঘাত করে। খামোখাই ত্রাসসৃষ্টির উদ্যেশে রাস্তায় দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পথচারিসহ অন্যান্য গাড়িতে ধাক্কা মারে তারা।

লাইসেন্সবিহীন এসব মোটরসাইকেলের টিনএজ চালকরা প্রতিদনই গ্রামের রাস্তায় অসত উদ্দেশ্যে এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। পাংশা পুলিশ এচক্রের অন্য সদস্যদের খুজচ্ছে।
এ বিষয়ে মৌরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, আমি নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার পর আমার কর্মী সমর্থকরা আনন্দ উল্লাস করেন।এ সময় তারা দুই একটি পটকা ফুটিয়েছেন। কিন্তু সেটা কোনো বোমা নয়। তাছাড়া ওই সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে।
পাংশা মডেল থানার ওসি তদন্ত উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। গত রাতে থানার এসআই মোঃ হুমায়ূন রেজা, এসআই মোঃ মিজানুর রহমান, এসআই মোঃ মিজানুর রহমান আকন্দ, এসআই মোঃ কামাল হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স তাদেরকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার আসামীদের রাজবাড়ীর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *