আজ ৪ ডিসেম্বর জাতীয় বস্ত্র দিবস

মোঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
আজ ৪ ডিসেম্বর, শনিবার জাতীয় বস্ত্র দিবস। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তৃতীয় বারের মতো সারাদেশে দিবসটি পালন করা হবে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বস্ত্রখাতের বিশ্বায়ন: বাংলাদেশের উন্নয়ন’।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত। এ খাতের টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে ৪ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে আছে- বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বস্ত্রশিল্পের বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান।

এরই ধারাবাহিকতায় ‘বস্ত্রখাতের বিশ্বায়ন: বাংলাদেশের উন্নয়ন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশের বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট দিনাজপুরে পালিত হলো জাতীয় বস্ত্র দিবস। আজ সকাল সাড়ে দশটায় ইন্সটিটিউটের শহীদ মিনারের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রা শেষে শহীদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র ইন্সটিটিউটের চীপ ইন্সট্রাক্টর(কারিগরি) জনাব, মোঃ জামিরুল ওসমান, ইন্সট্রাক্টর মোঃ কামরুল হাসান, ইন্সট্রাক্টর মোঃ শাহরিয়ার রায়হান,জুনি. ইন্সট্রাক্টর মোঃ আব্দুর রশিদ, জুনি.ইন্সট্রাক্টর মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী, জুনি.ইন্সট্রাক্টর হরশংকর রায়,জুনি.ইন্সট্রাক্টর মোছাঃ সাহনেওয়াজ ফেরদৌসী রীতু সহ সকল পর্বের শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং ইন্সটিটিউটের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, বস্ত্র মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ খাতকে সুসংহত ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেন। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ বস্ত্রশিল্প থেকে অর্জিত হচ্ছে। গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বস্ত্রখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেছেন, বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস সুপ্রাচীন এবং গৌরবময়। বস্ত্রখাত দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখে চলছে।

তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে বস্ত্রশিল্প খাতকে নিরাপদ, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম করে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। বস্ত্র কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ বস্ত্রশিল্পকে সহায়তার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদা পূরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ নিরাপদ, টেকসই, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম বস্ত্রখাত গড়ে তুলতে ‘বস্ত্র নীতি, ২০১৭’, ‘বস্ত্র আইন, ২০১৮’ এবং ‘বস্ত্রশিল্প (নিবন্ধন ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস কেন্দ্র) বিধিমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.