ভোলায় পুষ্টিহীনতা কমাতে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা

সাব্বির আলম বাবু, ভোলাঃ
ভোলায় জেলার বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও মনিটরিং বিষয়ক দুই দিনের বৈঠক শুরু হয়েছে। উদ্বোনীতে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি বিএনএনসি’র মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি ও পুষ্টি বিষয়ক কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ও পুষ্টি কমিটির উপদেষ্টা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবদুল মমিন টুলু , সিভিল সার্জন ডাঃ কেএম শফিকুজ্জামান।

আব্দুল মমিন টুলু জানান ভোলায় বেশিরভাগ খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত হওয়ার পর জেলার মানুষ পুষ্টিহীনতায় থাকবে এটা মানা যাচ্ছে না। সরকারিভাবে দরিদ্র্য পরিবারের জন্য আর্থিকসহ নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ওই কারনে দারিদ্র্যতা দুর হলেও খাদ্যাভাস্যের পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। নারীরা এখনও পুষ্টিমানের খাদ্য গ্রহণ করেন না। এমন তথ্য তুলে ধরেন এনএনসি’র উপ-পরিচালক ডাঃ ফারজানা রহমান, উপ-পরিচালক ডাঃ জুবাইদা নাসরীন, উপ-পরিচালক ডাঃ আকতার ইমাম। ভোলার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী জানান, পুষ্টির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ন। খাদ্যের ৬টি মান এতে নিহত রয়েছে। প্রত্যেক পরিবারকে এই সব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

ভোলার সিভিল সার্জস ডাঃ কেএম শাফিকুজ্জামান জানান, পুষ্টি’র জন্য গর্ভাবস্থা থেকে শিশুদের খাততি দেখা দেয়। এমনকি সন্তান ধারণক্ষম মায়েরা থাকেন ঝুঁকির মধ্যে। তাই পুষ্টি জনিত খাদ্য আমাদের নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। কর্মশালায় অংশ নেয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ও সমাজ সেবাসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ভেজাল খাদ্য বাজারজাতকারীদের বিষয়ে কঠোর আইনী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান। অপরদিকে কৃষি উৎপাদনে কীটনাশক জাতীয় বিষ ও ক্যামিকেল জাতীয় সার ব্যবহার বন্ধেরও প্রস্তাব করা হয়। সরকারিভাবে পুষ্টি জনিত বিশুদ্ধ তেল বাজারজাত করার দাবি জানান প্রেসক্লাব সম্পাদক অমিতাভ অপু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *