লালমোহনে এলাকাবাসীর দাবী বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগে দ্রুত নতুন ব্রীজ করা উচিত!

সাব্বির আলম বাবু, ভোলাঃ
গত প্রায় ৩ বছরে ছোট খাট দুর্ঘটনা নিয়মিতই ঘটছে। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে মারাত্নক দুর্ঘটনা। হতে পারে প্রাণহানিও। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে রিক্সা, অটো, ভ্যান ও মটরসাইকেল। ভোলার লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের বাংলাবাজার ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের মধ‍্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ‍্যম লালন খালের উপরের ব্রীজটির কথা। ব্রীজটির মাঝখানে দীর্ঘ প্রায় ৩ বছর যাবদ ভেঙ্গে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে রয়েছে। প্রায় ঘটছে বিভিন্ন দুর্ঘটনা। স্থাণীয়রা ব্রীজটির উপর কাঠদিয়ে কোনরকমে পার হচ্ছে। ভাংগা ব্রীজটির কাঠের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে রিক্সা, ভ্যান, অটো ও মটরসাইকেল। বতর্মানে শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ব্রীজটির উপর দিয়ে।

পূর্ব চর উমেদের স্থানীয় বাসিন্দা মুছা বলেন, আমি প্রতিবন্ধী রিস্কা নিয়ে যাওয়ার সময় রিস্কা নিয়ে পরে যায়। এতে আমার মোবাইল খালের মধ‍্যে পরে যায়। আমি মারাত্মক আঘাত প্রাপ্ত হই। রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্ধা মো: হারুন অর রশিদ বলেন প্রতিনিয়ত এই ব্রীজদিয়ে কয়েকশত মানুষ আসা যাওয়া করে। রমাগঞ্জ ৯নং ওয়ার্ডর মানুষজন প্রতিনিয়িত বাংলাবাজারে বাজার সদায় থেকে সকল কাজে বাজারে আসেতে হয় ব্রীজটির উপরদিয়ে। চরম ঝুঁকি নিয়ে আসা যাওয়ার পথে ব্রীজটি ভাংগার কারণে অনেকে মানুষ বিভিন্ন দূর্ঘটনার পতিত হয়েছেন। আমি নিজেও ভাঙ্গা যায়গায় পরে মারাত্মক আহত হয়েছি। আমরা শুনেছি ব্রীজটির টেন্ডার হয়েছে অনেক আগে কিন্তু ঠিকাদার কাজ এখনো শুরু করেননি। কবে শুরু করবে তাহাও জানিনা।

চরভূতা ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডের পাট ওয়ারী বাড়ির মো: রিয়াদ উদ্দিন রাসেল বলেন এই ব্রীজটি ২ ইউনিয়নের সংযোগের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিন শতশত মানুষ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা এই ব্রীজদিয়ে মারাত্নক ঝুঁকি নিয়ে আসে এবং যায় ।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বড় কোন দুর্ঘটনা না ঘটার আগেই ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন করে ব্রীজটি করা উচিত। বাংলাবাজার মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী আরজু, আহাদ, শাকিল, পিনুসহ অনান্য শিক্ষার্থীরা বলেন ব্রীজের মাঝে ভাঙ্গা থাকায় ব্রীজটি দিয়ে আসতে অনেক ভয় লাগে।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা প্রকৗশলী মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ব্রীজটি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। এই ব্রীজটি নতুন ভাবে তৈরী করার জন্য আইরন ব্রীজ প্রকল্প ও অনুর্ধ ১০০ মিটার ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্পে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি পাশ হয়ে আসলেই নতুন ব্রীজের কাজ শুরু করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *