গোবিন্দগঞ্জ সোনারপাড়ায় ৭শতক জমি বেদখলের চেষ্টায় থানায় অভিযোগ

মোঃ মতিয়ার রহমান (গাইবান্ধা) গোবিন্দগঞ্জ:
গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ডের মাগুরার সোনারপাড়ায় ৭শতক জমি বেদখলের চেষ্টায় থানায় অভিযোগ।গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক বিবাদীদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মাদারদহ গ্রামের মৃত মহিতুল্লাহ আকন্দ এর পুত্র মোঃ নুরুল ইসলাম মূল মালিকের কাছ থেকে প্রথমে শতক জমি দলিল মূলে ক্রয় করিয়া নিয়া নিরঙ্কুশ শর্তে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছেন। তিনি বলেন যে, খারিজ খতিয়ান এবং বিআরএস খতিয়ান আমাদের নামে রেকর্ড সঠিক ও শুদ্ধভাবে হয়েছে। উল্লেখ্য যে আব্দুল সাত্তার এর পুত্র জাহাঙ্গীর গং এর নেতৃত্বে গত ৯ অক্টোবর সাড়ে ৩ ঘটিকার সময় বাদি নুরুল ইসলাম জমি দেখতে গেলে জাহাঙ্গীর ইসলাম সহ চার /৫জনের একটি গ্রুপ নুরুল ইসলামকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ।

উক্ত জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ জাহাঙ্গীর গং প্রভাবশালী হওয়ায় যেকোনো সময় উক্ত জমি বেদখল করবে মর্মে হুমকি প্রদর্শন করলে বাদী শান্তিপ্রিয় হওয়ায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় তিন জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে বাদী নুরুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-পুলিশ পরিদর্শক আসাদুল ইসলাম কে দায়িত্ব দেন। আসাদুল ইসলাম উক্ত জমিতে দ্রুত উপস্থিত হয়ে বিবাদীগনের অন্যায় কাজ বন্ধ করে দেন। এসময় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। এ ব্যাপারে স্থানীয় কাউন্সিলর মাসুদ রানা বাপ্পীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, কাগজ পাতি যার সঠিক প্রমাণ হবে সেই জমি পাবে। এ ব্যাপারে জমির মালিকমোঃ নুরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, তিনি সঠিক মালিকের নিকট থেকে পরপর দুইটি দলিল মূলে ৭ শতক এবং ৭ শতক মোট ১৪ শতক জমি কিনেছেন। সে অনুযায়ী তিনি খারিজ খতিয়ান মাঠ পর্চা এবং বিআরএস খতিয়ান যথাযথ ভাবে প্রস্তুত হয়েছে। তফশিল জমি গোবিন্দগঞ্জ থানার মাগুরা গ্রামের জে এল নং ২৫১ খতিয়ান নং সাবেক ৩৮,খারিজ খতিয়ান নং ৪১৩, বিআরএস খতিয়ান নং ৩৬৩, সাবেক দাগ নং ১১৩, হাল দাগ নং৪২,নালিশি জমির পরিমাণ ৭ শতক।

এব্যাপারে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মেহেদী হাসান । এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উক্ত জমি নিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে দেখা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *