কিশোরগঞ্জে রং তুলির আদলে ফুটে উঠেছে দেবীর রুপ

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আজ থেকে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মহাশক্তি মহামায়া দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গাকে ভক্তিভরে বরণ করার অধীর আগ্রহে উপজেলার প্রায় দেড় লক্ষাধিক হিন্দু নর-নারী। বর্ণিল বর্ণাঢ্য আয়োজনে মন্দিরের পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে এখন উৎসবের আমেজ। ঢাকের বোল, কাঁসরঘন্টা,শাখেঁর ধ্বনিতে মূখর হয়ে উঠবে উপজেলার ১৪৫ টি পূজা মন্ডপ। দুর্গোৎসবের পূণ্য লগ্ন, শুভ মহালয়া গত বুধবার ৬ অক্টোবর নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। শুভ মহালায়া দেবীকে আহবানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। সোমবার ১১ ই অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে দশভূজা দেবী দুর্গার আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা।১২ই অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৩ ই অক্টোবর মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা,১৪ই অক্টোবর মহানবমী,১৫ ই অক্টোবর বিজয়া দশমী প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের দুর্গোৎসব। ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হচ্ছে উপাসনার মঞ্চ,চোখ ধাঁধানো প্যান্ডেল, গেট। রংবেরঙের লাইটিংয়ে সাজানো হয়েছে মন্ডপের চারপাশ। সরেজমিনে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখা যায়, মৃৎশিল্পীরা মনের তুলিতে নিপুন হাতের শৈল্পিক ছোঁয়ায় রং তুলির আঁচড়ে দেবীদুর্গাসহ বিভিন্ন দেবদেবীর প্রতিমূর্তি জীবন্ত রুপে ফুটিয়ে তুলতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হিন্দু ধর্মালম্বীদের কাছে দূর্গা শক্তি ও সুন্দরের প্রতীক। প্রতিবছর অশুরের বিনাশ কল্পে মা দুর্গা এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়। সনাতন পঞ্জিকা অনুযায়ী এবছর দেবী দুর্গার ঘোটকে (ঘোড়ায়) আগমন আর দোলায় (নৌকায়)গমন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ফনিভূষণ মজুমদার জানান, সর্বজনীন দুর্গোৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। আর করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিটি মন্দিরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুজা উদযাপন করা হবে।

কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল জানান,এই দুর্গোৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে পালনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আনছার সদস্যরা সার্বিক ভাবে নিয়োজিত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *