নাটোরে টিকেট কেটে পুকুরে মৎস শিকার

মোঃরাশেদুল আলম রুপক নাটোর জেলা প্রতিনিধি:
টিকিট কেটে ছিপদিয়ে পুকুরে মাছ শিকারের আয়োজন করা হয়েছে নাটোরের বাগাতিপাড়ায়। শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঁকা ইউনিয়নের শালাইনগর এলাকার আবুল হাসেমের দরগার পুকুরে এই মাছ শিকার করা চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থান থেকে ১২ টি সিটে ৭০ এর অধিক মৎস শিকারী মাৎস শিকার করতে এসেছেন। প্রতিটি সিট তারা
সাড়ে সাত হাজার টাকা হারে কিনেছেন। এলাকায় এ ধরনের আয়োজন নতুন হওয়ায় অনেকে তা দেখতে সকাল থেকে পুকুর পাড়ে ভিড় জমিয়েছেন এবং পুকুরের আশ পাশ দিয়ে বসেছে হরেক রকমের খাবারের দোকান।

মাৎস শিকার দেখতে আসা মাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাজেদুর রহমান বলেন শুক্রবার ছুটি আর মনের উপভোগ্য বিষয় হওয়াই আমরা ছয়জন বন্ধু মিলে এক সঙ্গে চলেও এলাম। ছোট বড় সব ধরনের মাছই ধরাপড়ছে,দেখতেও ভালো লাগছে।

পার্শ্ববর্তী জেলা রাজশাহীর ডাকরা থেকে আসা মাছ শিকারি আলম হোসেন বলেন, মাছ শিকার করতে ভালো লাগে। তাই যেখানে মাছ শিকারের খবর পায় সেখানেই যাওয়ার চেষ্টা করি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ২০ কেজি মাছ পেয়েছি। এর মধ্যে একটা ৬ কেজি ওজনের কাতল মাছ পেয়েছেন। মাছ ভালো ধরায় ভালো লাগছে তাঁর।

মাছ শিকারি বাগাতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বলেন, হুইল দিয়ে মাছ শিকার করতে তাঁর ভালো লাগে। সেজন্য তিনি এসেছেন। মাছও ছিপে মাছ ভালো উঠায় মজা লাগছে বলে জানান তিনি ।
আরেক মৎস শিকরী পৌর এলাকার আল মামুন জানান আমি ৫ কেজি ওজনের একটা রুই মাছ শিকার করেছি। তবে তিনি পুকুর সম্পর্কে মোটামুটি মন্তব্য করেছেন তিনি বলেন ১ কেজি ও ২ কেজি ওজনের মাছের সংখ্যাই বেশি।

পুকুর মালিক আবুল হাসেম বলেন, বিভিন্ন এলাকার মৎস্য শিকারিদের সাথে যোগাযোগ করে এবারই প্রথম টিকিটের মাধ্যমে মাছ ধরার আয়োজন করা হয়েছে। মাছ শিকারিদের ছিপে রুই, কাতল, মৃগেল, ব্লাড কার্প, জাপানী মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। ওই পুকুরে সাড়ে নয় কেজি পর্যন্ত মাছ আছে, ইতিমধ্যে ওই দিন দুপুর পর্যন্ত একজন মাছ শিকারির ছিপে ৬ কেজি ওজনের একটি মাছ ধরা পড়েছে।
এছাড়া অনেকেই তিন-চার কেজি ওজনের মাছ পেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *